মোঃমাইনুল সিকদারঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত খাদ্য গুদামের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে১০০মিটারের অধিক অবৈধ গ্যাস লাইন নির্মাণ করেছেন স্থানীয় আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। আমিনুল ইসলাম (৪০) উপজেলার খাদ্য গুদাম সংলগ্ন মৃত আলম হোসেনের ছেলে।গতকাল রোববার সকালে স্থানীয়রা ওই অবৈধ গ্যাস লাইনটি দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওছার আহমেদ ঘটনাস্থলে এসে তিতাস গ্যাসের চন্দ্রা জোনাল অফিস কে অবহিত করলে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা তিতাস গ্যাসের জোনাল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ বিন ইউসুফ এই অবৈধ লাইনটি বিচ্ছিন্ন করেন এবং রাইজার সহ অবৈধ গ্যাস সরবরাহে ব্যবহৃত পাইপ ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করে নিয়ে যান। এ ব্যাপারে স্থানীয় তিতাস গ্যাসের ঠিকাদার লতিফপুর এলাকার আব্দুল মালেকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বর্তমানে বৈধভাবে গ্যাসের নতুন সংযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।শুনেছি স্থানীয় আমিনুর রাতের আঁধারে চুরি করে রাস্তা কেটে এই অবৈধ গ্যাস লাইন টি তার বাসা বাড়িতে ব্যবহারের জন্য নিয়েছেন। তিতাস গ্যাসের চন্দ্রা জোনাল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ বিন ইউসুফ জানান যেভাবে রাতের আঁধারে মাটির প্রায় এক মিটার গভীর থেকে কেটে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে আমরা এসে মাটি খুঁড়ে সেই অবৈধ সংযোগ পরীক্ষা করে দেখা গেছে সেখানে ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ এবং ওয়েল্ডিং যথাযথভাবে করা হয়নি ফলে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস নিঃসরণ হচ্ছে, যার ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো।পাশেই যেহেতু সরকারি খাদ্য গুদাম রয়েছে এবং আবাসিক এলাকা রয়েছে সুতরাং দুর্ঘটনা ঘটলে সেটি হতে পারতো মারাত্মক ভয়াবহ। অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেয়ার কারণে আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস চোর আমিনুরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কালিয়াকৈর উপজেলা খাদ্য গুদামের ওসি(লোকাল সাপ্লাই ডিপো) ইনচার্জ মিলন মিয়ার নিকট জানতে চাওয়া হয় খাদ্য গুদামের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে এবং খাদ্য গুদামের প্রধান ফটকের সম্মুখে রাস্তা কেটে রাতের আধারে ওই পাইপলাইন নির্মাণ করাতে খাদ্য গুদামের কোন ঝুঁকি রয়েছে কিনা জবাবে তিনি বলেন,যেহেতু সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে বাহির দিয়ে ড্রেন করে গ্যাস লাইন নির্মাণ করা হয়েছে সেহেতু আমাদের খাদ্য গুদামের কোন ঝুঁকি।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওছার আহমেদ জানান, সকাল বেলা খবর পেয়ে ওই অবৈধ গ্যাস লাইন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ওই ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ গ্যাস লাইন উঠিয়ে নেওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত খাদ্য গুদামের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে১০০মিটারের অধিক অবৈধ গ্যাস লাইন নির্মাণ করেছেন স্থানীয় আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। আমিনুল ইসলাম (৪০) উপজেলার খাদ্য গুদাম সংলগ্ন মৃত আলম হোসেনের ছেলে।গতকাল রোববার সকালে স্থানীয়রা ওই অবৈধ গ্যাস লাইনটি দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওছার আহমেদ ঘটনাস্থলে এসে তিতাস গ্যাসের চন্দ্রা জোনাল অফিস কে অবহিত করলে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা তিতাস গ্যাসের জোনাল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ বিন ইউসুফ এই অবৈধ লাইনটি বিচ্ছিন্ন করেন এবং রাইজার সহ অবৈধ গ্যাস সরবরাহে ব্যবহৃত পাইপ ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করে নিয়ে যান। এ ব্যাপারে স্থানীয় তিতাস গ্যাসের ঠিকাদার লতিফপুর এলাকার আব্দুল মালেকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বর্তমানে বৈধভাবে গ্যাসের নতুন সংযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।শুনেছি স্থানীয় আমিনুর রাতের আঁধারে চুরি করে রাস্তা কেটে এই অবৈধ গ্যাস লাইন টি তার বাসা বাড়িতে ব্যবহারের জন্য নিয়েছেন। তিতাস গ্যাসের চন্দ্রা জোনাল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ বিন ইউসুফ জানান যেভাবে রাতের আঁধারে মাটির প্রায় এক মিটার গভীর থেকে কেটে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে আমরা এসে মাটি খুঁড়ে সেই অবৈধ সংযোগ পরীক্ষা করে দেখা গেছে সেখানে ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ এবং ওয়েল্ডিং যথাযথভাবে করা হয়নি ফলে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস নিঃসরণ হচ্ছে, যার ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো।পাশেই যেহেতু সরকারি খাদ্য গুদাম রয়েছে এবং আবাসিক এলাকা রয়েছে সুতরাং দুর্ঘটনা ঘটলে সেটি হতে পারতো মারাত্মক ভয়াবহ। অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেয়ার কারণে আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস চোর আমিনুরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কালিয়াকৈর উপজেলা খাদ্য গুদামের ওসি(লোকাল সাপ্লাই ডিপো) ইনচার্জ মিলন মিয়ার নিকট জানতে চাওয়া হয় খাদ্য গুদামের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে এবং খাদ্য গুদামের প্রধান ফটকের সম্মুখে রাস্তা কেটে রাতের আধারে ওই পাইপলাইন নির্মাণ করাতে খাদ্য গুদামের কোন ঝুঁকি রয়েছে কিনা জবাবে তিনি বলেন,যেহেতু সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে বাহির দিয়ে ড্রেন করে গ্যাস লাইন নির্মাণ করা হয়েছে সেহেতু আমাদের খাদ্য গুদামের কোন ঝুঁকি।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওছার আহমেদ জানান, সকাল বেলা খবর পেয়ে ওই অবৈধ গ্যাস লাইন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ওই ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ গ্যাস লাইন উঠিয়ে নেওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Tags
গাজীপুর